Bihar STET Previous Year Questions উল্লিখিত পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিহার সেকেন্ডারি টিচার এলিজিবিলিটি টেস্ট বা BSTET হল বিহারের রাজ্য-স্তরের একটি পরীক্ষা, যা প্রতি বছর বিহার রাজ্যের অসংখ্য শিক্ষক পদের জন্য প্রার্থীদের যোগ্যতা নির্ধারণের জন্য পরিচালিত হয়ে থাকে। এই রাজ্য-স্তরের পরীক্ষাটি বিহার স্কুল এক্সামিনেশন বোর্ড (BSEB) দ্বারা পরিচালিত হয়। Bihar STET Exam 2025 সালে অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। BSEB-এর অফিসিয়াল নোটিফিকেশন শীঘ্রই আসতে চলেছে বলা চলে, যা বিহার স্কুল এক্সামিনেশন বোর্ড-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হবে। তাহলে দেখে নিন এখনই Bihar STET Previous Year Questions।
ডাউনলোড করুন – Bihar STET Syllabus
Bihar STET পরীক্ষা হল বিহারের সরকারি স্কুলে স্কুল শিক্ষক হিসেবে কাজ করতে ইচ্ছুক প্রার্থীদের জন্য একটি যোগ্যতা পরীক্ষা। Bihar STET পরীক্ষাকে যোগ্যতা নির্ধারণের জন্য একটি জনপ্রিয় রাজ্য-স্তরের পরীক্ষা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই পরীক্ষায় দুটি পেপার থাকে, পেপার ১ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষকদের জন্য (9-10) এবং পেপার ২ উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষকদের জন্য (11-12)। বিহারের সরকারি ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলগুলিতে শিক্ষকতা ক্ষেত্রে তাদের ক্যারিয়ারকে এগিয়ে নিতে প্রস্তুত প্রার্থীদের বিহার STET পরীক্ষার জন্য যোগ্যতা অর্জন করতে হবে। প্রার্থীদের জন্য বিহার STET পরীক্ষার একটি সারসংক্ষেপ এখানে দেওয়া হল:
Bihar STET পরীক্ষার সারসংক্ষেপ | |
পরীক্ষার নাম | Bihar Secondary Teacher Eligibility Test |
পরিচালক সংস্থা | Bihar Board of Secondary Education |
পরীক্ষার ধরন | কম্পিউটার ভিত্তিক পরীক্ষা (অনলাইন) |
মোট প্রাপ্ত নম্বর | ১৫০ |
কর্মক্ষেত্র | বিহার |
অফিসিয়াল ওয়েবসাইট | |
ডাউনলোড করুন – Jharkhand SSC Syllabus
STET Paper 1
অথবা
STET Paper 2
ডাউনলোড করুন – WB Upper Primary TET PYQ SET
Bihar STET পরীক্ষায় দুটি পেপার থাকে। নবম-দশম শ্রেণীতে পড়াতে আগ্রহী প্রার্থীদের জন্য প্রথম পত্র এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীতে পড়াতে আগ্রহী প্রার্থীদের জন্য দ্বিতীয় পত্র-এর মাধ্যমে যোগ্যতা নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। দুটি উভয় পত্রেই ১৫০টি বহুনির্বাচনী প্রশ্ন (MCQ) থাকে, প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য এক নম্বর করে বরাদ্দ থাকে এবং কোনো নেগেটিভ মার্কিং থাকে না।
বেশি স্কোর অর্জনের জন্য বিষয় জ্ঞান সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যা এই পরীক্ষার জন্য একটি অপরিহার্য বিভাগ।Art of Teaching এবং General Knowledge বিভাগটি একজন প্রার্থীর শিক্ষা ব্যবস্থা এবং তাদের নির্দেশনামূলক দক্ষতা সম্পর্কে ধারণা মূল্যায়ন করে। অনলাইন পরীক্ষার ফর্ম্যাটের সাথে পরিচিত হওয়া অনেক ক্ষেত্রেই সুবিধাজনক, বিশেষ করে CBT মোডে। ভুল উত্তরের জন্য কোনো নেগেটিভ মার্কিং থাকে না, তাই প্রার্থীরা সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে অনুপ্রাণিত হয়।নীচে Bihar STET পরীক্ষার ধরনটির একটি সারসংক্ষেপ প্রদান করা হল।
Bihar STET পরীক্ষার নমুনা | |
পরীক্ষার নাম | Bihar Secondary Teacher |
পরীক্ষার ধরন | CBT |
মোট প্রাপ্ত নম্বর | ১৫০ |
প্রশ্নের নম্বর | প্রতিটি প্রশ্নে ১ নম্বর |
নেগেটিভ মার্কিং | N/A |
প্রশ্নপত্র বিভাজন | পেপার ১ পেপার ২ |
পরীক্ষার সময় | ২.৫ ঘণ্টা |
আরও পড়ুন – WB TET পরীক্ষার সম্পর্কে জানুন বিস্তারিত
এখনও পর্যন্ত Bihar STET Recruitment 2025-এর কোনো নোটিফিকেশন এসে পৌঁছায়নি। তবে আশা করা যায় খুব তাড়াতাড়ি Bihar STET Recruitment 2025-এর বিজ্ঞপ্তি আসবে।
তাই নিশ্চিত সাফল্য পেতে তাড়াতাড়ি ডাউনলোড করে নিন Bihar STET Question Paper PDFটি।
১. প্রশ্নের ধরণ বোঝা যায়
একটি প্রশ্নপত্রে কোন ধরণের প্রশ্ন বেশি থাকে — বস্তুনিষ্ঠ (MCQ), সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন, না বর্ণনামূলক (long answer)? কত নম্বরে কী ধরণের প্রশ্ন আসতে পারে? পুরনো প্রশ্নগুলো বিশ্লেষণ করলে পরীক্ষার প্রশ্ন কাঠামো পরিষ্কার বোঝা যায়। এটি পরীক্ষার প্রস্তুতিকে আরও লক্ষ্যভিত্তিক করে তোলে।
২. প্রধান বিষয়বস্তু নির্ধারণে সাহায্য করে
সব বিষয় সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ নয়। পূর্ববর্তী প্রশ্নপত্র দেখে বোঝা যায় কোন অধ্যায় বা টপিক থেকে প্রশ্ন বেশি এসেছে। এতে করে ছাত্রছাত্রী নির্দিষ্ট বিষয়গুলোর উপর বেশি মনোযোগ দিতে পারে এবং পড়াশোনার সময় ও পরিশ্রম বাঁচে।
৩. পরীক্ষার প্রবণতা বিশ্লেষণ করা যায়
অনেক প্রশ্নপত্রে কিছু নির্দিষ্ট প্রশ্ন বা ধারাবাহিকভাবে আসা বিষয়বস্তু থাকে। যেমন, WBCS বা HSC-তে দেখা যায় কিছু প্রশ্ন প্রায় প্রতিবছরই ঘুরে ফিরে আসে। এই প্রবণতা বোঝা গেলে সেই টপিকগুলো ভালোভাবে প্রস্তুত করা যায়।
৪. সময় ব্যবস্থাপনার অনুশীলন হয়
পরীক্ষায় সীমিত সময়ে অনেক প্রশ্নের উত্তর দিতে হয়। পুরনো প্রশ্নপত্র সময় ধরে সমাধান করলে পরীক্ষার সময় ব্যবস্থাপনার অনুশীলন হয়। এতে পরীক্ষার দিন মাথা ঠান্ডা রেখে কার্যকরভাবে প্রশ্ন সমাধান করা সহজ হয়।
৫. আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায়
যখন ছাত্রছাত্রী পূর্ববর্তী প্রশ্ন অনুশীলন করে দেখে যে তারা ঠিকভাবে উত্তর দিতে পারছে, তখন তাদের মনে একটা আত্মবিশ্বাস তৈরি হয় — “আমি পারি!” এটি মানসিকভাবে পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি তৈরি করে।
৬. পরীক্ষার চাপ কমে যায়
পরীক্ষা মানেই অনেকের মধ্যে মানসিক চাপ থাকে। কিন্তু যেহেতু পূর্ববর্তী প্রশ্নগুলোর সঙ্গে পরিচয় হয়, তখন পরীক্ষায় অজানা কিছু পাওয়ার আশঙ্কা কমে যায়। ফলে স্ট্রেস অনেকটাই কমে।
৭. মক টেস্ট হিসেবে ব্যবহারযোগ্য
পূর্ববর্তী প্রশ্নপত্র দিয়ে পরীক্ষার মতো পরিবেশ তৈরি করে মক টেস্ট দিলে বাস্তব পরীক্ষার অনুশীলন হয়। এতে নিজের প্রস্তুতির মান যাচাই করা যায় এবং দুর্বলতাগুলো বুঝে নেওয়া যায়।
৮. দুর্বল দিক চিহ্নিত করা যায়
প্রশ্ন সমাধান করতে গিয়ে যদি দেখা যায় বারবার একটি নির্দিষ্ট অধ্যায়ে ভুল হচ্ছে, তাহলে বুঝে নিতে হবে সেই টপিকটি দুর্বল। তখন সেই অংশে বাড়তি সময় ও মনোযোগ দেওয়া যায়।
৯. উত্তরের ধরন অনুশীলন করা যায়
বিভিন্ন পরীক্ষায় উত্তর লেখার একটি নির্দিষ্ট ধরন থাকে। যেমন – কোথায় পয়েন্ট করে লিখতে হবে, কোথায় অনুচ্ছেদে লিখতে হবে, কোন প্রশ্নে কী পরিমাণ বিস্তারিত দিতে হবে — এসব কিছু পুরনো প্রশ্নের উত্তর বিশ্লেষণ করে শিখে নেওয়া যায়।
১০. টপিক-ভিত্তিক প্রস্তুতি পরিকল্পনা সহজ হয়
যখন বোঝা যায় কোন কোন টপিক থেকে বেশি প্রশ্ন আসে, তখন পড়াশোনার একটি সুসংহত পরিকল্পনা করা যায়। কম গুরুত্বপূর্ণ টপিক বাদ দিয়ে সময় বাঁচিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশে মনোযোগ দিলে প্রস্তুতি অনেক বেশি কার্যকর হয়।
বছরের শুরুতেই একগুচ্ছ খুশির খবর উপহার দিচ্ছে সরকার। চাকরি প্রার্থীদের...
WBPSC Clerkship 2024-25-এর ছোটো নোটিফিকেশন প্রকাশিত হয়ে গেছে। পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক...
পশ্চিমবঙ্গ সরকার বছরের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষা নিয়ে থাকে।...
RRB Group D লেভেল ১ পরীক্ষা ভারতীয় রেলওয়ে রিক্রুট্মেন্ট বোর্ড...