UGC NET পরীক্ষার সম্মুখেই। আসন্ন পরীক্ষার জন্য ঠিক প্রস্তুতি পর্ব কেমন হবে, বিস্তারিত জানুন এই আর্টিকেল থেকে। UGC NTA NET সর্বভারতীয় স্তরের গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাগুলির মধ্যে অন্যতম। এই পরীক্ষাটি কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক হতে চাওয়া কিংবা জুনিয়র রিসার্চ ফেলো (JRF) হিসেবে ভবিষ্যতে ক্যারিয়ার গড়তে চাওয়া একজন প্রার্থীর যোগ্যতা নির্ধারণ করে থাকে। প্রায় ৮৩ টি বিষয় নিয়ে এই পরীক্ষা নিয়ে হয়ে থাকে।
UGC NET Paper 1 Syllabus | |
UGC NET Sanskrit Syllabus | |
UGC NET Bengali Syllabus | |
UGC NET English Syllabus | |
UGC NET History Syllabus | |
UGC NET Geography Syllabus | |
UGC NET Philosophy Syllabus | |
UGC NET Education Syllabus |
আরও পড়ুন- UGC NET পরীক্ষার ক্ষেত্রে আগামী ১ মাসের প্রস্তুতি কৌশল
আসন্ন UGC NET পরীক্ষার জন্য একটি প্ল্যান প্রদান করা হল BSSEI-এর পক্ষ থেকে। যে স্টাডি প্ল্যানের দ্বারা পরীক্ষার্থীরা যেমন কম সময়ে সম্পূর্ণ সিলেবাসটিকে কমপ্লিট করার পর আরও দু-তিন বার সেটিকে রিভিশন করতে পারবে। নীচে স্মার্ট স্টাডি প্ল্যানের PDF দেওয়া হল। ডাউনলোড করে নিজের প্রস্তুতিকে সুদৃঢ় করে তুলুন আজ থেকেই।
১) স্ব-মূল্যায়ন করা- পরীক্ষার আগের শেষ মুহূর্তে প্রথমেই যেটি প্রয়োজন সেটি হল- নিজের প্রস্তুতির মূল্যায়নকে সঠিকভাবে করা। নিজের প্রতি কনফিডেন্স থাকার জন্য অনেকেই ভাবে তার প্রস্তুতিতে কোনো খামতি নেই। কিন্তু সেই ভাবনা আদেও সত্যি নাকি নিজের প্রতি অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাস সেটা খুব ভালোভাবে যাচাই করতে হবে। তাই সবার আগে কি কি দেখা দরকার সেটিকে দেখে নিন।
২) মক টেস্ট- বর্তমান প্রস্তুতির স্তরের মূল্যায়ন করতে পরীক্ষার কয়েকদিন আগে বেশ কয়েকটি পূর্ণ-দৈর্ঘ্যের মক পরীক্ষা দেওয়া দরকার। এতে প্রস্তুতি এবং দুর্বলতা উভয়ই ভালোভাবে শনাক্ত করা যাবে।
৩) সময় ব্যবস্থাপনা- এই পর্বে সময়ের ব্যবস্থাপনাকে সঠিকভাবে পরিচালনা করা খুব জরুরি। তাই এই পর্বে কেমন করে সময় পরিচালনা করতে হবে তা জানা খুব প্রয়োজনীয়। সময়কে শৃঙ্খলিত উপায়ে পরিচালিত করতে যা যা দরকার সেগুলি হল-
৪) দৈনিক সময়সূচী- পরবর্তী কয়েক দিনের জন্য একটি বিশদ দৈনিক সময়সূচী তৈরি করুন। আপনার স্ব-মূল্যায়ন ফলাফলের উপর ভিত্তি করে প্রতিটি বিষয় এবং বিষয়ের জন্য সময় বরাদ্দ নিশ্চিত করে, আপনার দিনটিকে অধ্যয়নের ব্লকগুলিতে বিভক্ত করুন।
৫) লক্ষ্য স্থির করা- শেষ কয়েক দিনে কতখানি পড়াশোনা করতে হবে সেই সংক্রান্ত দৈনিক এবং সাপ্তাহিক লক্ষ্য স্থাপন করতে হবে।
৬) কাঠিন্যের অগ্রাধিকার- বিষয়ের মধ্যে যে ইউনিট বা টপিক সবচেয়ে বেশি কঠিন মনে হবে তা নির্ধারণ করে পূর্ববর্তী পরীক্ষার প্রশ্ন সমাধান করুন এবং প্যাটার্নগুলি নিয়ে গবেষণা করুন৷ নিজের স্কোরের মান বৃদ্ধি করার জন্য এই ইউনিট বা টপিকগুলির ওপর ফোকাস করুন। এছাড়াও পেপার ১ এর ক্ষেত্রে রিসার্চ অ্যাপ্টিটিউড, টিচিং অ্যাপ্টিটিউড এর ক্ষেত্রেও মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।
৭) মাইন্ড ম্যাপিং- মাইন্ড ম্যাপ হল সহজ কিন্তু শক্তিশালী রিভিশন পদ্ধতি। বিষয় সম্পর্কিত ধারণাকে স্পষ্টভাবে মনে রাখতে সাহায্য করে। কীভাবে এটি প্রয়োগ করবেন – জটিল বিষয়গুলির প্রতি মাইন্ড ম্যাপিং তৈরি করতে পারে প্রার্থী। এই কৌশলটি বিষয়ের ধারণার মধ্যে সম্পর্ক কল্পনা করতে সাহায্য করে। পরীক্ষার সময় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য স্মরণ করাকে সহজ করে তোলে। সমবয়সীদের সঙ্গে গ্রুপ স্টাডি আয়োজন সংগঠিত করুন। চ্যালেঞ্জিং বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করুন এবং নিজের সন্দেহ দূর করুন।
বছরের শুরুতেই একগুচ্ছ খুশির খবর উপহার দিচ্ছে সরকার। চাকরি প্রার্থীদের...
WBPSC Clerkship 2024-25-এর ছোটো নোটিফিকেশন প্রকাশিত হয়ে গেছে। পশ্চিমবঙ্গ পাবলিক...
পশ্চিমবঙ্গ সরকার বছরের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষা নিয়ে থাকে।...
RRB Group D লেভেল ১ পরীক্ষা ভারতীয় রেলওয়ে রিক্রুট্মেন্ট বোর্ড...